অলসতা আসলে কী ?
অলসতা হচ্ছে কর্মহীন থাকার শারীরিক ও মানসিক ইচ্ছা, কোনকিছুই করতে না চেয়ে উদ্যমহীন হয়ে থাকা। সোজা কথায় নিস্ক্রিয় থাকার ইচ্ছার নাম অলসতা।সময়কে কাজে লাগিয়ে সব সময় কোনো কাজে যুক্ত থাকাই সত্যিকারের বুদ্ধিমানের কাজ। কিন্তু অলসতা আমাদের কর্মঠ থাকতে দেয় না। সব কাজের মধ্যে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। আর এটা আসে মানুষের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি থেকে। তবে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। কিছু কৌশল বা আচরণীয় পন্থা অবলম্বন করে আমরা সহজেই অলসতা কাটিয়ে উঠতে পারি। অলসতা কাটানোর সেই ৮ টি উপায় তুলে ধরা হল আজ: –
১) অলসতার কারণগুলো থেকে নিজেকে দূরে রাখো :
অলসতা দূর করার প্রথম পদক্ষেপ হল, যে বিষয়গুলো অলসতা তৈরী করে সেগুলো থেকে দূরে থাকা। এই যন্ত্রযুগে অলস সময়গুলোর সঙ্গী হয়ে থাকে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া, স্মার্ট ফোন, টিভি ইত্যাদি। এগুলো থেকে কিছু সময়ের জন্য হলেও দূরে থাকো। মোবাইল গেম এর মত বিষয়ের থেকে সরে গিয়ে, হাতে পায়ে সক্রিয় থাকার মতো কিছু করো ; যেমন – হাতের কাজ, লেখালেখি, ড্রইং বা কিছু বানানো ইত্যাদির মধ্যে মনোনিবেশ করো।
২) ছোট ছোট পদক্ষেপ নাও :
বিন্দু বিন্দু জলেই সিন্ধু গড়ে ওঠে। বড় কোন কিছুর শুরু হয় ছোট থেকেই। তাই ধারাবাহিকভাবে ছোট ছোট কাজের মাধ্যেমে অলসতাকে হার মানাতে পারো।
একটি কাজকে ছোটছোট অনেকগুলো অংশে ভাগ করে নাও। আমরা অনেক সময় বেশ বড় ও জটিল কোন কাজ হলেই ঘাবড়ে যাই। এই কাজটি করতে গেলে অনেক সময় লাগবে, বেশ পরিশ্রমের কাজ- এমন ভাবনা থেকে কাজ করার ইচ্ছাটা চলে যেতে থাকে। কিংবা কিছুদিন কাজটি চালিয়ে যাবার পর একপর্যায়ে ছেড়ে দেই। এমন ক্ষেত্রে সহজেই তুমি সমস্যাটিকে সমাধান করতে পারবে। সামনে একটা খাতা নাও আর কাজের স্টেপগুলো লেখো, প্রথমের কাজটিতে হাত দাও, নিজের অজান্তেই দেখবে কাজটির শেষে পৌঁছে গেছ।
৩) জীবনে নতুন অভ্যাস গড়ে তোলো :
নতুন অভ্যাস গড়ে তোলো, পুরোনো অভ্যাস কাটানোর জন্য নতুন অভ্যাস গড়ে তুলতে হয়। পুরোনোকে বাদ দেওয়ার চেয়ে নতুন অভ্যাস গড়ে তুললে নিজের আলস্য কাটানো যায়। ছোট ছোট অভ্যাসে নিজের অলসতা কাটানো শুরু করো ৷ আজই লিফটে না চড়ে সিঁড়ি দিয়ে ওঠো কিংবা পুরো পত্রিকা মনোযোগ দিয়ে পড়ো। আর হ্যা আজই শুরু করে দাও।
৫) সমস্যা নয় কাজের ফলাফল নিয়ে ভাবো :
আমাদের সবার একটা সাধারণ সমস্যা হচ্ছে কোন কাজ করতে গেলে তার ভালোটা নিয়ে ভাবার আগেই খারাপ চিন্তাগুলো আগে মাথায় নিয়ে আসি। তুমি যদি পড়ে যাওয়ার ভয়ে দৌড়তে সাহস না করতে, তাহলে তুমি দৌড়ানো শিখতে পারতে না। তুমি যা অর্জন করতে চাইছো, সেটা নিয়ে কল্পনায় একটা ঘটনা তৈরি করো। যে কাজটি করতে চাইছো, তার সমস্যা অথবা জটিলতা নিয়ে না ভেবে, ভাবো অলসতাকে জয় করে তুমি যদি কাজটি ঠিকমতো করে ফেলতে পারো, তাহলে তুমি কী কী পাচ্ছ? সমস্যা নিয়ে ভাবলে কখনো কাজ এগোবে না, বরং নিরুৎসাহিত হয়ে কাজ করা থেকে বিরত থাকবে তুমি।
৫) নিজের লক্ষ্যকে নিয়ে নিজেকে প্রশ্ন করো :
অনেক কাজ পড়ে থাকা সত্বেও যখন কোনো কাজ করতে ইচ্ছে করে না। তখন কিছুটা সময় নাও। তারপর নিজেকে জিজ্ঞেস করো, যে কাজটি করছো তা ঠিক পথে এগুচ্ছে কি না, ভবিষ্যতে নিজেকে কোথায় দেখতে চাও, আর যেভাবে এগুচ্ছে তাতে কি সেই লক্ষ্য পূরণ সম্ম্ভব? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর তোমার কাজের সঠিক পথ বলে দেবে এবং অলসতা ত্যাগ করে কাজের প্রতি নতুন করে উৎসাহিত করে তুলবে। মনে রাখবে, হেরে যাওয়ার ভয়ে কখনো কাজকে ভয় পেও না।
৬) শারীরিক দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠো :
অনেক সময় দেখা যায় শারীরিক দুর্বলতা ও মানসিক অস্থিরতা বা ক্লান্তি কাজের প্রতি অনীহা তৈরি করে। ক্লান্তি বা অসুস্থতা ইত্যাদির জন্যই কাজের প্রতি মনোযোগ রাখতে না পারলে, তাহলে তোমার উচিত প্রথমেই বিশ্রাম নেওয়া। পর্যাপ্ত ঘুমিয়ে নাও। শরীরচর্চা বা হালকা ব্যায়াম করো। পারলে প্রকৃতির মুক্ত পরিবেশে বেরিয়ে এসো। তুমি অনেক বেশি চাঙ্গা হয়ে উঠবে। কাজের জন্য আনন্দ ফিরে পাবে। সময় থাকতে অলসতা দূর করার চেষ্টা করো। কাজে নেমে যাও — ঝাপিয়ে পড়ো। মনে রেখো, দীর্ঘসূত্রতার অপর নাম অলসতা। অলসতা শুধু কাজেই বাধা দেয় না, এর থেকেই জন্ম নেয় বিষন্নতা ও নানা ধরণের মানসিক অস্থিরতা। তাই অলসতাকে ত্যাগ করার উপায়গুলো জেনে রেখো। পরিশ্রমী ও কর্মোদ্যমী হয়ে কাজে লেগে যাও। সফলতা আসবে অলসতাকে জয় করার মধ্য দিয়েই।
৭) ডাইরি বা যেকোনো কিছু লেখা :
হ্যা, অলসতা দূর করার একটা উপায় হল লেখার অভ্যাস করা। আসলে লেখার মাধ্যমে হাতের পেশী সঞ্চালনের ফলে শরীরে আলসতার ভাব কেটে গিয়ে একটা ফ্রেস চনমনে ভাব আসে। তাই অবসর পেলেই লিখতে শুরু কর।
৮) খাদ্যাভ্যাস :
মানুষের খাদ্যাভ্যাসের উপর তার শারীরিক অবস্থা নির্ভর করে। যেমন বেশি বেশি মাংস, আমিষ জাতীয় খাবার বা বেশি মসলাযুক্ত খাবার মানুষের পেটে HCL acid তৈরি করে, যার ফলে বেশি ঘুম পায়, সবসময় তন্দ্রা ভাব আসে। আর এর পরিণতিই হল অলসতা। তাই খাদ্য বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন, বেশি মসলাযুক্ত আর ফ্যাটজাতীয় খাবার নির্দিষ্ট মাত্রার বেশি খেতে নেই। শরীর চনমনে আর কর্মঠ রাখতে নানা ধরণের ফল খাওয়া দরকার। ফল, জুস, লেবু ইত্যাদি খাবার প্রতিদিনের তালিকায় রাখলে শারীরিক অলসতার ভাব কমে যাবে আর কাজেও আগ্রহ বাড়বে।
তো বন্ধুরা চলো আজ থেকে আর কোনো কাজ ফেলে রাখা নয়, নতুন ভাবে নতুন উদ্যমে কাজে লেগে যাই।
"> Top
কাল করবো, এখন না পরে করছি, দূর ভাল্লাগে না, কোনো কাজেই আর মন দিতে পারছি না, শরীর ভালো লাগছে না — কোনো রকম অসুস্থতা ছাড়াই যদি এরকমই মনে হয় সর্বদা, বুঝবে হবে অলসতার শিকার। একজন মানুষের সফলতার পথে যত বাধা আছে তারমধ্যে সবচেয়ে বড় বাধাটাই হল অলসতা। আমরা আসলে অলস নই, আমরা স্বাভাবিক প্রবৃত্তির এই পিছুটানকে এড়াতে পারি না বলে আলস্য আমাদের ওপর ভর করে। প্রতিদিন একই কাজ করতে করতে নিস্তেজ হয়ে যাই। জীবনে সজীবতা নেই বলে আমরা পেশাজীবনে যেমন আলস্য দেখাই, তেমনি ব্যক্তিজীবনে হয়ে উঠি বর্ণহীন, উদ্যমহীন।
অলসতা আসলে কী ?
অলসতা হচ্ছে কর্মহীন থাকার শারীরিক ও মানসিক ইচ্ছা, কোনকিছুই করতে না চেয়ে উদ্যমহীন হয়ে থাকা। সোজা কথায় নিস্ক্রিয় থাকার ইচ্ছার নাম অলসতা।সময়কে কাজে লাগিয়ে সব সময় কোনো কাজে যুক্ত থাকাই সত্যিকারের বুদ্ধিমানের কাজ। কিন্তু অলসতা আমাদের কর্মঠ থাকতে দেয় না। সব কাজের মধ্যে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। আর এটা আসে মানুষের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি থেকে। তবে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। কিছু কৌশল বা আচরণীয় পন্থা অবলম্বন করে আমরা সহজেই অলসতা কাটিয়ে উঠতে পারি। অলসতা কাটানোর সেই ৮ টি উপায় তুলে ধরা হল আজ: –
১) অলসতার কারণগুলো থেকে নিজেকে দূরে রাখো :
অলসতা দূর করার প্রথম পদক্ষেপ হল, যে বিষয়গুলো অলসতা তৈরী করে সেগুলো থেকে দূরে থাকা। এই যন্ত্রযুগে অলস সময়গুলোর সঙ্গী হয়ে থাকে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া, স্মার্ট ফোন, টিভি ইত্যাদি। এগুলো থেকে কিছু সময়ের জন্য হলেও দূরে থাকো। মোবাইল গেম এর মত বিষয়ের থেকে সরে গিয়ে, হাতে পায়ে সক্রিয় থাকার মতো কিছু করো ; যেমন – হাতের কাজ, লেখালেখি, ড্রইং বা কিছু বানানো ইত্যাদির মধ্যে মনোনিবেশ করো।
২) ছোট ছোট পদক্ষেপ নাও :
বিন্দু বিন্দু জলেই সিন্ধু গড়ে ওঠে। বড় কোন কিছুর শুরু হয় ছোট থেকেই। তাই ধারাবাহিকভাবে ছোট ছোট কাজের মাধ্যেমে অলসতাকে হার মানাতে পারো।
একটি কাজকে ছোটছোট অনেকগুলো অংশে ভাগ করে নাও। আমরা অনেক সময় বেশ বড় ও জটিল কোন কাজ হলেই ঘাবড়ে যাই। এই কাজটি করতে গেলে অনেক সময় লাগবে, বেশ পরিশ্রমের কাজ- এমন ভাবনা থেকে কাজ করার ইচ্ছাটা চলে যেতে থাকে। কিংবা কিছুদিন কাজটি চালিয়ে যাবার পর একপর্যায়ে ছেড়ে দেই। এমন ক্ষেত্রে সহজেই তুমি সমস্যাটিকে সমাধান করতে পারবে। সামনে একটা খাতা নাও আর কাজের স্টেপগুলো লেখো, প্রথমের কাজটিতে হাত দাও, নিজের অজান্তেই দেখবে কাজটির শেষে পৌঁছে গেছ।
৩) জীবনে নতুন অভ্যাস গড়ে তোলো :
নতুন অভ্যাস গড়ে তোলো, পুরোনো অভ্যাস কাটানোর জন্য নতুন অভ্যাস গড়ে তুলতে হয়। পুরোনোকে বাদ দেওয়ার চেয়ে নতুন অভ্যাস গড়ে তুললে নিজের আলস্য কাটানো যায়। ছোট ছোট অভ্যাসে নিজের অলসতা কাটানো শুরু করো ৷ আজই লিফটে না চড়ে সিঁড়ি দিয়ে ওঠো কিংবা পুরো পত্রিকা মনোযোগ দিয়ে পড়ো। আর হ্যা আজই শুরু করে দাও।
৫) সমস্যা নয় কাজের ফলাফল নিয়ে ভাবো :
আমাদের সবার একটা সাধারণ সমস্যা হচ্ছে কোন কাজ করতে গেলে তার ভালোটা নিয়ে ভাবার আগেই খারাপ চিন্তাগুলো আগে মাথায় নিয়ে আসি। তুমি যদি পড়ে যাওয়ার ভয়ে দৌড়তে সাহস না করতে, তাহলে তুমি দৌড়ানো শিখতে পারতে না। তুমি যা অর্জন করতে চাইছো, সেটা নিয়ে কল্পনায় একটা ঘটনা তৈরি করো। যে কাজটি করতে চাইছো, তার সমস্যা অথবা জটিলতা নিয়ে না ভেবে, ভাবো অলসতাকে জয় করে তুমি যদি কাজটি ঠিকমতো করে ফেলতে পারো, তাহলে তুমি কী কী পাচ্ছ? সমস্যা নিয়ে ভাবলে কখনো কাজ এগোবে না, বরং নিরুৎসাহিত হয়ে কাজ করা থেকে বিরত থাকবে তুমি।
৫) নিজের লক্ষ্যকে নিয়ে নিজেকে প্রশ্ন করো :
অনেক কাজ পড়ে থাকা সত্বেও যখন কোনো কাজ করতে ইচ্ছে করে না। তখন কিছুটা সময় নাও। তারপর নিজেকে জিজ্ঞেস করো, যে কাজটি করছো তা ঠিক পথে এগুচ্ছে কি না, ভবিষ্যতে নিজেকে কোথায় দেখতে চাও, আর যেভাবে এগুচ্ছে তাতে কি সেই লক্ষ্য পূরণ সম্ম্ভব? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর তোমার কাজের সঠিক পথ বলে দেবে এবং অলসতা ত্যাগ করে কাজের প্রতি নতুন করে উৎসাহিত করে তুলবে। মনে রাখবে, হেরে যাওয়ার ভয়ে কখনো কাজকে ভয় পেও না।
৬) শারীরিক দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠো :
অনেক সময় দেখা যায় শারীরিক দুর্বলতা ও মানসিক অস্থিরতা বা ক্লান্তি কাজের প্রতি অনীহা তৈরি করে। ক্লান্তি বা অসুস্থতা ইত্যাদির জন্যই কাজের প্রতি মনোযোগ রাখতে না পারলে, তাহলে তোমার উচিত প্রথমেই বিশ্রাম নেওয়া। পর্যাপ্ত ঘুমিয়ে নাও। শরীরচর্চা বা হালকা ব্যায়াম করো। পারলে প্রকৃতির মুক্ত পরিবেশে বেরিয়ে এসো। তুমি অনেক বেশি চাঙ্গা হয়ে উঠবে। কাজের জন্য আনন্দ ফিরে পাবে। সময় থাকতে অলসতা দূর করার চেষ্টা করো। কাজে নেমে যাও — ঝাপিয়ে পড়ো। মনে রেখো, দীর্ঘসূত্রতার অপর নাম অলসতা। অলসতা শুধু কাজেই বাধা দেয় না, এর থেকেই জন্ম নেয় বিষন্নতা ও নানা ধরণের মানসিক অস্থিরতা। তাই অলসতাকে ত্যাগ করার উপায়গুলো জেনে রেখো। পরিশ্রমী ও কর্মোদ্যমী হয়ে কাজে লেগে যাও। সফলতা আসবে অলসতাকে জয় করার মধ্য দিয়েই।
৭) ডাইরি বা যেকোনো কিছু লেখা :
হ্যা, অলসতা দূর করার একটা উপায় হল লেখার অভ্যাস করা। আসলে লেখার মাধ্যমে হাতের পেশী সঞ্চালনের ফলে শরীরে আলসতার ভাব কেটে গিয়ে একটা ফ্রেস চনমনে ভাব আসে। তাই অবসর পেলেই লিখতে শুরু কর।
৮) খাদ্যাভ্যাস :
মানুষের খাদ্যাভ্যাসের উপর তার শারীরিক অবস্থা নির্ভর করে। যেমন বেশি বেশি মাংস, আমিষ জাতীয় খাবার বা বেশি মসলাযুক্ত খাবার মানুষের পেটে HCL acid তৈরি করে, যার ফলে বেশি ঘুম পায়, সবসময় তন্দ্রা ভাব আসে। আর এর পরিণতিই হল অলসতা। তাই খাদ্য বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন, বেশি মসলাযুক্ত আর ফ্যাটজাতীয় খাবার নির্দিষ্ট মাত্রার বেশি খেতে নেই। শরীর চনমনে আর কর্মঠ রাখতে নানা ধরণের ফল খাওয়া দরকার। ফল, জুস, লেবু ইত্যাদি খাবার প্রতিদিনের তালিকায় রাখলে শারীরিক অলসতার ভাব কমে যাবে আর কাজেও আগ্রহ বাড়বে।
তো বন্ধুরা চলো আজ থেকে আর কোনো কাজ ফেলে রাখা নয়, নতুন ভাবে নতুন উদ্যমে কাজে লেগে যাই।