প্রেম সংগীত, রোমান্টিক কবিতা, থইথই আবেগে ভরপুর উপন্যাস, রসঘন চলচ্চিত্র -এসব কিছুর বাইরে প্রেমের অন্য এক ভুবন আছে। শরীরে জটিল সব ক্রিয়া-বিক্রিয়ার শেষে কিউপিডের তির করে বিদ্ধ, এই বিজ্ঞান এখন জানার জন্য উন্মুক্ত। মানুষ একে অপরকে কেউ ভালোবাসে, কেন প্রেমে পড়ে, সে বিজ্ঞানের কথা বলতে হয়।
‘প্রেমের ফাঁদপাতা ভুবন’, শোনা কথা তবু মগজে আছে যে প্রেমে পড়ার যন্তর-মন্তর। মগজে আছে কিছু অংশ, যেগুলো মানুষকে পরস্পরের প্রতি আসক্ত হতে সাহায্য করে। হিপোক্যাম্পাস, মিডিয়াল ইনসুলা, এনটেরিয়ার সিংশুলেট-মগজের এই তিন অংশ পারিতোষিক প্রাপ্তির অনুভূতিকে করে নিয়ন্ত্রণ। প্রেমে পড়াতেও রয়েছে এর অবদান। অন্তঃসাবী গ্রন্থিগুলোর যে কর্ম-একে চালায় যে প্রভু, এর নাম হলো পিটুইটারি গ্রন্থি। এটি নিয়ন্ত্রণ করে হরমোন, আর দেহে তা নিঃসরণও করে।
আছে হাইপোথ্যালামাস: মগজের এ অংশ সবার নিয়ন্ত্রক। এ থেকে উৎপন্ন হয় ডেপোমিন, অক্সিটোসিন আর ভেসোপ্রেসিন। প্রেমে পড়ার জন্য এদের অবদানও কম নয়।
আছে কিছু উষ্ণ বিন্দু মানব শরীরে: কামোত্তেজক কিছু অংশ আছে শরীরে, এরা উদ্দীপনাতে সাড়া দেয়, যেমন নেত্রপল্লব, কপাল, কর্ণ, গ্রীবাদেশ, করোটি আর ওষ্ঠ। তলপেট আর হাঁটুদেশের পেছনটা।